কিভাবে পিটিসি সাইটের এ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক মার্কেটিং করতে হয়

Leave a Comment
Image result for marketing ptc
আজ আমি লিখবো কিভাবে এ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক মার্কেটিং করতে হয় এই সম্পর্কে। অনলাইন মার্কেটপ্লেসের কোনো প্রোডাক্ট অথবা কোনো লিঙ্ক আপনি প্রোমোট করবেন, কেউ ওই লিঙ্কে গিয়ে সাইন আপ করলে বা প্রোডাক্টটি কিনলে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাবেন। এটাই এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি আপনার জন্য ডাইরেক্ট রেফারেল পেতে পারেন এবং আপনার আর্নিং বাড়াতে পারেন।


ডাইরেক্ট রেফারেলের উপকারিতা
-------------------------------------------------------------------------------
১/ তাদের কাজের জন্য আপনি আর্ন করতে পারবেন
২/ যদি তাদেরকে আপনি গাইডলাইন অথবা প্রশিক্ষণ দিতে পারেন তাহলে আপনি আগের থেকে আরোও বেশি আয় করতে পারবেন
৩/ তাদের আয়ের মধ্যে থেকে প্রতিদিন আপনি কমিশন পেতে পারেন
৪/  ডাইরেক্ট রেফারেল আপনারই থাকবে।
৫/ আপনি বিনা চেষ্টায় কিভাবে আয় করবেন এইটা তারাই নিশ্চিত করবে

ডাইরেক্ট রেফারেল আপনি কেনো নিবেন 
-------------------------------------------------------------------------------
ক্লিক্সসেন্স অথবা নিয়ো-বাক্স সাইটগুলোতে আপনি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার মাধ্যমে আয় করে থাকেন। আপনি যদি বিজ্ঞাপনে ক্লিক না করেন তাহলে আপনি আয় করতে পারবেন নাহ। কাজ করার জন্য সময় এবং শ্রমের প্রয়োজন হয় তারপর আয় করা সম্ভব হয়। ডাইরেক্ট রেফারেলের সব চেয়ে বড় উপকারিতা হচ্ছে এটি দ্বারা আপনি বিনা শ্রমে আয় করতে পারেন। আপনাকে শুধু আপনার রেফারেলদের গাইড দিতে হবে তাহলেই আপনি যথেষ্ট পরিমাণ আয় করতে পারবেন। যদি আপনার রেফারেলরা কাজ না করে তাহলে এর প্রভাব আপনার আয়ের মধ্যে পড়বে তাই চেষ্টা করুন যতটুকু সম্ভব আপনার রেফারেলকে সাহায্য করার। যদি আপনি আমার রেফারেলে কাজ করতে চান তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমি আপনাকে পূর্ণ গাইডলাইন দিবো।

কিভাবে রেফারেল নিবেন
-------------------------------------------------------------------------------
উপরের আলোচনা থেকে হয়তো কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন রেফারেল কতোটা গুরুত্বপুর্ণ। আমি কিছু টেকনিক এবং টিপস দিবো আপনাকে যেনো আপনি ডাইরেক্ট রেফারেল পেতে পারেন। ডাইরেক্ট রেফারেল পাওয়ার দুইটাই উপায় আছে যধাঃ

১/ পেইড মেথড
২/ ফ্রি মেথড

পেইড মেথড দিয়ে কিভাবে ডাইরেক্ট রেফারেল পেতে হয়
-------------------------------------------------------------------------------
পেইড মেথডে আপনার কিছু টাকা খরচ করার পাশাপাশি কিছু কাজও করতে হবে। পেইড মেথড অনেক কার্যকর আপনি এটি ব্যবহার করে অনেক কম সময়ে অনেক ডাইরেক্ট রেফারেল পেতে পারেন। এর জন্য আপনি চাইলে নিম্নের প্ল্যাটফর্ম গুলোতে আপনার রেফারেল লিঙ্কের বিজ্ঞাপন দিতে পারেন

১/ অন্যান্য পিটিসি সাইটে
২/ পিপিসি প্ল্যাটফর্মগুলোতে
৩/ সার্চ ইঞ্জিনের পিপিসি প্ল্যাটফর্মগুলোতে
৪/ Solo ads
৫/ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে

ফ্রি মেথড দিয়ে কিভাবে ডাইরেক্ট রেফারেল পেতে হয়
-------------------------------------------------------------------------------
যদি পেইড মেথড আপনার কাছে ব্যয়বহুল মনে হয় তাহলে আপনি ফ্রি মেথড ট্রাই করে দেখতে পারেন। তবে এর জন্য আপনাকে অনেক সময় দিতে হবে আর অনেক কাজও করতে হবে। নিম্নের কাজগুলো আপনি চাইলে করতে পারেন

১/ ই-বুক লিখতে পারেন
২/ বিভিন্ন সাইটে শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপন পোষ্ট করতে পারেন
৩/ অনলাইন আর্নিং ফোরাম গুলোর সদস্য হতে পারেন
৪/ ট্রাফিক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে
৫/ বিভিন্ন ব্লগে লেখালেখির মাধ্যমে
৬/ সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোতে পোষ্ট করার মাধ্যমে
৭/ ইউটিউবে ভিডিও রিভিউ বানিয়ে

মনে রাখবেনঃ কখনো ফেইক সাইট অথবা স্ক্যাম সাইট প্রোমোট করতে যাবেন না কারন এতে আপনাকে কেউ বিস্বাস নাও করতে পারে। যে ওয়েবসাইটকে প্রোমোট করছেন সেই সাইটের সমন্ধে সব কিছু জানার চেষ্টা করুন এবং কোনো ওয়েবসাইটের সদস্য হওয়ার আগে দেখে নিন আপনি রেফারেলদের ছাড়া ভালো এমাউন্ট আয় করতে পারছেন কিনা । আমি ব্যক্তিগত ভাবে আমার পরিচিতদেরকে ক্লিক্সসেন্সে কাজ করার জন্য সুপারিশ করে থাকি কারণ এটিই একমাত্র পিটিসি সাইট যেটা থেকে আপনি অনেকগুলা উপায়ে ভালো এমাউন্ট আয় করতে পারবেন।


ক্লিক্সসেন্সে কাজ করতে চাইলে  এইখানে সাইন আপ করুন
Read More

কিভাবে ক্লিক্সসেন্স টাস্ক সম্পূর্ণ করতে হয়

1 comment
Image result for clixsense taskআগে আপনার জানতে হবে যে ক্লিক্সসেন্স এই কাজ গুলো কোথায় থেকে পায় এবং কেনো আপনাকে দেয়। আসলে crowdflower নামের একটি সাইট ক্লিক্সসেন্সের সদস্যদেরকে কাজ দিয়ে থাকে। crowdflower হচ্ছে একটি নেতৃস্থানীয় কোম্পানী যা আপনাকে crowdsourcing সমাধান দিয়ে থাকে। crowdflower বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তি, ওয়েবসাইট, কোম্পানি অথবা কোনো সংস্থা থেকে কাজ নিয়ে থাকে এবং সেই কাজগুলোকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করে আমাদেরকে দেয়। আমরা হচ্ছি অবদানকারী বা contributor যারা এই কাজ গুলো করছে তাদেরকে crowdflower সেই কাজের জন্য টাকা প্রদান করছে।

একটি টাস্কের একটি নির্দিষ্ট আইডি থাকে এবং এর ভিতরেও ছোট ছোট কিছু কাজ থাকে । সাধারণত অনেকগুলো প্রশ্ন নিয়ে একটি টাস্ক গঠন হয়ে থাকে এবং আপনাকে শুধু প্রশ্ন গুলোর উওর দিতে হবে। কোনো লেখালেখির ঝামেলা নেই শুধু হাঁ এবং না দিয়ে উওর দিতে হবে।

কিভাবে টাস্ক করা শুরু করবেন

ক্লিক্সসেন্সের টাস্কে যদি আপনি কাজ পেয়ে থাকেন তাহলে ওইটার টাইটেলে ক্লিক করে আপনাকে crowdflower এর ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার একটা একাউন্ট খুলে নিতে হবে। এরপরেই আপনি কাজ করতে পারবেন।

আপনি প্রথম প্রথম সব টাস্ক পাবেন না কারণ crowdflower নতুনদেরকে তাদের কাজের মান বিবেচনায় রেখে এরপর উপযুক্ত কাজ দিয়ে থাকে। এইটাকে কর্মক্ষমতা ব্যাজ বলা হয়। আপনার কর্মক্ষমতা বেশী হলে আপনি বেশী কাজ পাবেন আর কম হলে কম পাবেন।

টাস্ক সম্পূর্ণ করতে করতে আপনারও একদিন কর্মক্ষমতা বেড়ে যাবে। মনে রাখবেন যে আপনার কর্মক্ষমতা ব্যাজ যতোবেশী হবে আপনার কাজও ততো কঠিন হতে থাকবে।

কিভাবে প্রথম ব্যাজ নিবেন

কেউ কেউ crowdflower-এ কাজ করা শুরু করে এবং পরে দেখা যায় ব্যাজ অর্জন না করেই হাল ছেড়ে দেয়, যার কারণে সে আর ভালো কাজ পায় না আর টাকাও আয় করতে পারে না। আমি একটু আগে যা বলেছিলাম যে crowdflower নতুনদেরকে তাদের কাজের মান বিবেচনায় রেখে এরপর উপযুক্ত কাজ দেয়। তাই আপনি চেষ্টা করতে থাকবেন যেনো আপনার অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে যেনো আপনার কাজের দক্ষতাও বাড়ে। মনে রাখবেন প্রথম প্রথম আপনি টাস্কের মধ্যে যেসব প্রশ্ন পাবেন ওইগুলা আপনার জন্য কঠিন হবে কারণ আপনি এর আগে এখনো এই ধরণের কাজ করেন নাই। শুরুতে প্রতি টাস্কের জন্য আপনার আয় হবে মাত্র ১ সেন্ট কিন্তু আপনার ব্যাজ যদি ২য় করতে পারেন তাহলে আপনার প্রতি কাজের জন্য আয়ও বেড়ে যাবে। আমি আপনাকে বলতে চাই যদি টাস্ক করার ইচ্ছা আপনার থেকে থাকে তাহলে ৩য় ব্যাজ না পাওয়া্ পর্যন্ত শুধু টাস্ক করতে থাকেন টাকার দিকে না তাকিয়ে ব্যাজের দিকে তাকান। আমার ২য় ব্যাজ নিতে ৯ দিন লেগেছিলো ৯ দিনে আমি ১০০ টাস্ক করেছি এরপর ২য় ব্যাজ পেয়েছি। চেষ্টা করুন টাস্ক গুলো মনোযোগ দিয়ে করার এবং যে টাস্কটি করবেন ওইটার ডিটেইলস ঠিক মতো পড়ে এরপর সঠিকভাবে কাজ শুরু করুন।

এই ছবি টা দেখুন
http://maximdesigns.com/images/M_images/clixsense/as.jpg
এইখানে ১ম ব্যাজ পেতে হলে আপনার কিছু যোগ্যতা লাগবে।

প্রথমত আপনার পাচ রকমের আলাদা আলাদা কাজ করতে হবে।
দ্বিতীয়ত আপনার কম পক্ষে ১০০ টা প্রশ্নের উওর দিতে হবে।
এরপর accuray আপনার কমপক্ষে ৭০% রাখতে হবে।

টাস্ক সঠিক নিয়মে করলেই accuray বাড়বে আর না করলে কমবে। accuray কমে গেলে আপনি কাজ নাও পেতে পারেন।
Read More

কিভাবে payza একাউন্ট ভেরিফাই করতে হয়

Leave a Comment
Payza একটি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট প্রসেসর। যা আপনার ডলার বা অন্য কোন কারেন্সি সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এ আনতে সাহায্য করবে। ফ্রীলান্সারের ভাষায়, আপনার অনলাইনে আয় করা ডলার টাকায় রূপান্তর করে আপনার হাতে আসা পর্যন্ত মাঝখানে যে দালাল কাজ করবে সেই হল Payza। Payza ছাড়াও আরো অনেক পেমেন্ট প্রসেসর আছে যারা আপনার আয় করা ডলার আপনার হাতে আসতে সাহায্য করতে পারে। এর মধ্যে জনপ্রিয় কিছু পেমেন্ট প্রসেসর হল, Paypal, Payza, Skrill(Monyebookers), Webmoney, Neteller ইত্যাদি। এদের মধ্যে Paypal ছাড়া বাকি সবাই বাংলাদেশ সাপোর্ট করে।

কিভাবে আমি Payza অ্যাকাউন্ট খুলবো?
_______________________________________________________________________________
অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট এ আমরা আমাদের অ্যাকাউন্ট খুলে থাকি। সহজ কথায় আপনি ফেসবুক এ যেভাবে অ্যাকাউন্ট করেছেন Payza তে অ্যাকাউন্ট করা প্রায় একই রকম। কোনো ধরণের ভিন্নতা নেই। এই লিঙ্কে গিয়ে সাইন আপ করুন ।

কিভাবে আমি Payza অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করবো ?
________________________________________________________________________________
ভেরিফাই করার আগে কিছু কথা বলে নেওয়া ভাল তা হল, আপানার যদি মাসে সামান্য কিছু ডলার লেনদেন হয় এবং শুধু মাত্র এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্ট এ ডলার ট্রান্সফার এর মাধ্যমে টাকা তুলেন তাহলে আপনার Payza অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই না করলেও চলবে। আর ব্যাংক এর মাধ্যমে টাকা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে। Payza অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করা খুব বেশি কঠিন কিছু না। নিচের ধাপগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করলে আপনি একটি ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট করে নিতে পারবেন।

যা যা প্রয়োজনঃ
________________________________________________________________________________
Document Validation পদ্ধতি ব্যাবহার করে একাউন্ট ভেরিফাই করতে গেলে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপি। আপনার এক মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ( সর্বচ্চো ছয় মাসের পুরোনো )
Photo ID Validation পদ্ধতি ব্যাবহার করে একাউন্ট ভেরিফাই করতে গেলে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ডের সাথে পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের দরকার হবে। এক্ষেত্রে ব্যাংক স্টেটমেন্টের কোনো প্রয়োজন নেই।

যা যা করতে হবে
_______________________________________________________________________________
১ম ধাপঃ আপনার পেজা একাউন্টে লগইন করে আপনার নাম এর উপর ক্লিক করুন।
২য় ধাপঃ তারপর Verification এ ক্লিক করুন।
৩য় ধাপঃ এবার যেকোনো একটি অপশন বেছে নিন।


ধরুন আমরা Document Validation অপশনটি বেছে নিলাম।
Photo ID অপশন থেকে যেকোনো একটি অপশন বেছে নিন এবং Choose File এ ক্লিক করে আপনার ডকুমেন্টের স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করুন। এবার তার নিচে Bank Document এর নিচে Bank Statementএ টিক চিহ্ন দিয়ে ব্যাংক স্টেটমেন্টের স্ক্যান কপিটি সিলেক্ট করে দিন। এবার Next চাপুন।
আপনার আপলোড করা ডকুমেন্ট গুলো যাচাই করুন।
এবার সেন্ড অপশনে ক্লিক করুন।
ভেরিফিকেশন রিকোয়েস্ট পাঠানোর ৩-৪ দিন এর মধ্যে আপনাকে Payza থেকে ইমেইল পাঠাবে।

একাউন্ট ভেরিফাই না হবার কিছু কারন
 _______________________________________________________________________________
আপনার সাবমিট করা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের স্ক্যান কপি অস্পষ্ট হলে।
আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্টে দেয়া নাম বা ঠিকানার সাথে যদি আপনার Payza একাউন্টের নাম বা ঠিকানার মিল না থাকলে।
আপনার সাবমিট করা ডকুমেন্ট করাপ্টেড বা নষ্ট হলে।












একাউন্ট খুলার জন্য ক্লিক করুন এইখানে -> সাইন আপ

যদি কোনো প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন :)
Read More

ক্লিক্সসেন্সের পূর্ণ গাইডলাইন

1 comment


                                                         বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
সবাইকে আমার আসসালামু আলাইকুম। আজ আমি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো তা হচ্ছে ক্লিক্সসেন্স এবং এটি দ্বারা কিভাবে আয় করা যায় তাই নিয়ে আলোচনা করবো। আমি আমার এই পোষ্টে ক্লিক্সসেন্স সমন্ধে একটি ভালো রিভিউ দেয়ার চেষ্টা করেছি। আমি আশা করি ক্লিক্সসেন্স এ যারা কাজ করছেন এবং যারা কাজ করতে চাইছেন তাদের সবার এই পোষ্টটি কাজে আসবে।


Read More
Next PostNewer Posts Home
earn71. Powered by Blogger.